Facebook Bangladesh Cricket
ওর ব্যাক্তিগত বিষয় আশয় নিয়ে কিছু লোকের চুলকানি দেখে অবাক হচ্ছি!
আশ্চর্য!
আপনারা কি মনে করেছেন?
ও দেশী শিল্পীদের বিয়ের অনুষ্ঠানে আনতে চায়নি?
চট্টগ্রামের বিখ্যাত খান পরিবারের ছেলের বিয়ে বলে কথা!
বড়-সড় আয়োজন তো থাকবেই!
কিন্তু সেটা নিয়ে আমাদের এত মাথাব্যাথা কেন??
কেউ কেউ দেখলাম তামিমকে ইন্ডিয়ার দালাল বলে গালি দিচ্ছে!
এরা তো জাস্ট মূর্খ ছাড়া আর কিছুই না!
নিজেরা সারাদিন হিন্দি গান শুনে, হিন্দি মুভি দেখে, ফেসবুকে হিন্দিতে স্ট্যাটাস মারে আর তামিম ইন্ডিয়া থেকে শিল্পী ভাড়া করে আনছে দেখে তামিমকে গালি দেয়!
আজব পাবলিক তো!
অথচ যখন কোটি-কোটি টাকা দিয়ে ২/৩ ঘন্টা নাচার জন্য বলিউডের বুড়া শাহরুখ খানকে আনা হয় তখন তো ঠিকই ৫/৬ হাজার টাকা খরচ করে শাহরুখ খানকে দেখতে যান!
ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানীকে ধন্যবাদ দেন!
বিপিএল এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যখন জাস্ট কয়েকটা গান গাওয়ার জন্য কোটি টাকা খরচ করে আতিফ আসলামকে আনা হলো তখন তো স্ট্যাটাস দেন-
” ও মাই আতিফ, আই লাবিউ, ইউ আর চো কিউট”
আসল ইন্ডিয়ান দালাল তো আপনাদের মত দ্বিমুখী সাপেরা!
চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বলে-ব্যাটে ক্রমাগত বাজে পারফরম্যান্সের দরুণ আবারো নিচে নেমে গেছে পাকিস্তানের মোহাম্মদ হাফিজ!
সাকিব বস না খেলেও আবার নাম্বার!
যতই বেশি বেশি ম্যাচ খেলুক না কেন হাফিজ, আসলে তার যোগ্যতাই নাই নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার হওয়ার!
নইলে এত সুযোগ পেয়েও ধরে রাখতে পারলনা কেন?
আমাদের সাকিব বস ম্যাচ পায়না!
ওদের মত ম্যাচ খেললে নিজেকে হাফিজ-ওয়াটসনের ধরা-ছোয়ার বাইরে নিয়ে যেত!
আসন্ন টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে সিলেট স্টেডিয়ামের নির্মাণকাজ চলছে!
আনা হয়েছে বিশাল বিশাল ৩ টি ক্রেন!
মাঠটা অনেক বড় হলেও গ্যালারী সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে মাঠ ছোট করা হতে পারে!
একটি সুইমিং পুল ও থাকছে স্টেডিয়ামে!
আশা করা হচ্ছে, টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের আগেই শেষ হয়ে যাবে স্টেডিয়ামের নির্মাণকাজ
ফাও চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ও দেখতে ইচ্ছা করেনা!
যেই টুর্নামেন্টে আমার নিজের দলই নাই সেই টুর্নামেন্ট নিয়ে এত লম্ফঝম্প দেখতে ভালো লাগেনা!
হ্যা খেলা দেখো ঠিকাছে কিন্তু বিশেষ দুইটি দেশের দালালরা খেলা দেখার সময় নিজেরা চুপ থাকতে পারেন না!
হোমপেজ ভরিয়ে ফেলেন-
” ও মাই অমুক-তমুক আই লাবিউ”
” ও গ্রেট বোলিং, দ্যাটস হোয়াই উই আর দ্যা বেস্ট”
এই কথাটা দেশের বেলায় বললে খাটতো যে ” উই মানে আমরা হচ্ছি বেস্ট”
না দেশের খেলার সময় উনারা বলেন-
” ধুর বিডির খেলা দেখার চেয়ে আশিকি ২ দেখা ভালো”
তখন আর ” আমরা ” বলতে পারেনা, বলে বিডি!
আসলে কি করবে বলেন?
দেশপ্রেম নাই তো!
দেশের জন্য কোনো টান অনুভব করেনা নইলে এরকম বলতনা!!
থাকো দালালরা…আমরা এখন খেলা নাই দেখে বেকার বাট আসছে অক্টোবরে সবকটারে ধরমু!!
আগে শুধু জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা ছিলেন গ্রেডিং পদ্ধতির বিপক্ষে!
জাতীয় দলের বাইরের ক্রিকেটাররা শুধু অপেক্ষায় ছিলেন খেলা কবে শুরু হবে আর তাদের রুটি-রুজির একটা ব্যাবস্থা হবে!!
কিন্তু এখন সবাই ঐক্যবদ্ধ!
গ্রেডিং প্রথা বাতিল না করলে লীগ বর্জনের হুমকি দিয়েছেন ক্রিকেটাররা!
ঠিকই করেছে ওরা!
বারবার দলবদলের তারিখ পাল্টাবে!
টুর্নামেন্ট শুরু তারিখ পেছাবে আর এদিকে ঘরে বসে বসে ক্রিকেটারদের আঙুল চুষা ছাড়া আর কিছু করার থাকবেনা, তা তো হয় না!
এবার বিসিবির্র দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের যদি টনক নড়ে!!
গ্রেডিং পদ্ধতিতে টাকা নিয়ে চম্পট দেওয়ার একটা ব্যাবস্থাই হয়ত করছিলেন ক্লাব মালিকরা!
বিপিএল ফ্রেঞ্চাইজি মালিকদের মত!
কিন্তু না ক্রিকেটাররা এবার তা হতে দিচ্ছেনা!!
আগস্টের ৫,৭,৯,১১ ও ১৩ তারিখ অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচগুলো!
আমাদের প্রথম ম্যাচ পাকিস্তান অনুর্দ্ধ-১৯ এর সাথে!
এই সিরিজকে সামনে রেখে চলছে নাজমুল আবেদীন ফাহিম স্যারের অধীনে অনুর্দ্ধ-১৯ জাতীয় দলের অনুশীলন ক্যাম্প!
তরুণ মোসাদ্দেক,নাজমুলদের সামনে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করার অনেক বড় একটা সুযোগ!
কেউ জিজ্ঞেস করে,
” আনামুল নাকি?”
আরে ভাই আনামুল ২০ এর গন্ডি পেরিয়ে গেছে…!!
অনুর্দ্ধ-১৯ দলের অধিনায়ক হচ্ছে মোসাদ্দেক!!
আসলে দেশের ক্রিকেট সম্পর্কে কোনো খোজখবরই এরা রাখেনা!
খেলার মাঝপথে জিজ্ঞেস করে-
” কোন চ্যানেলে ?”
নিজের দেশের খেলা অথচ নিজেই জানেনা কোন চ্যানেলে !
কেউ কেউ তো কার সাথে খেলা কি খেলা এইটাও জানেনা!
” ভাই কি খেলা চলতেসে? টি-টুয়েন্টি না টেস্ট?”
এনসিএল, আ টিমের ম্যাচ , ডিপিএল এর ম্যাচ চলাকালীন ও অনেকে জিজ্ঞেস করে ” কোন চ্যানেলে?”
কেউ আবার এনসিএল, ডিপিএল এর আপডেট দিলে বিরক্ত হয়!
বলে এইসব ” থার্ড ক্লাস” লীগের রেজাল্ট জেনে নাকি কোনো লাভ নেই!
এর চেয়ে নাকি ইন্ডিয়ার ম্যাচের আপডেট দেওয়া ভালো!!
কন তো দেখি???
কত বড় মূর্খ হলে দেশের প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট লীগকে থার্ড ক্লাস বলতে পারে??
এর একটা কারণ থাকতে পারে!
এরা শুধু খেলার সময় টিভি ছেড়ে চার ছয় হলে দেখে আর আউট হলে সাপোর্ট ছেড়ে বিভিন্ন ফেসবুক পেজে গিয়ে বেহায়ার মতন নিজের দেশের প্লেয়ারদের গালিগালাজ করে!
আর আমাদের দেশে এরকম মানুষের সংখ্যা ৮৫%!
দুঃখজনক হলেও সত্যি:(
ইনজুরি কাটিয়ে পুরনো ফিটনেসে ফিরছেন পেসাররা!
এখানে নাজমুল হোসেন আর মাশরাফি বিন মর্তুজার নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য!
এ প্রসঙ্গে কোচ জার্গেনসন বলেন-
” মাশরাফি এবং নাজমুল দলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ দুজন ক্রিকেটার! তাদেরকে একসাথে পাওয়াটা আসলে একটা প্লাস পয়েন্ট”
এখনো ৩ মাস বাকি!
এই ৩ মাস সিরিজের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য যথেষ্ঠ!
ট্রেনার স্টুয়ার্ট কার্পিননের অধীনে কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যাচ্ছেন মাশরাফি সহ জাতীয় দলের অন্যান্য ক্রিকেটাররা!
আজ অনেক দিন পর দৌড়লেন মাশরাফি, তাছাড়া বেশ কয়েকদিন প্র্যাকটিসের মধ্যে ছিলেন না তাই কন্ডিশনিং ক্যাম্পের অন্য সবার চেয়ে ফিটনেসের দিক দিয়ে খানিকটা পিছিয়েই ছিলেন নড়াইল এক্সপ্রেস!
তবে তিনি পুরনো ফিটনেসটা ফিরে পাচ্ছেন বলেই জানালেন!
এবং এ ব্যাপারে তিনি প্রচন্ড আত্মবিশ্বাসী!
হুম…মাশরাফি ভাইকে মিস করেছিলাম শ্রীলংকা, জিম্বাবুয়েতে!
এবার ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডকে পেয়েছি!
এবার বস মাশরাফি না থাকলে বিশাল লস হয়ে যাবে!
সবাই মিলে দুয়া করুন যাতে বস মাশরাফি আবার খেলার ফিটনেসে ফিরতে পারেন!
দুই ম্যাচেই জয় বাংলাদেশের!
কি অবাক হলেন?
অবাক হওয়ার কিছু নেই, আমি ফুটবলের কথা বলছি না!
ক্রিকেটের কথা বলছি!
১৯৯৪ ও ১৯৯৬/৯৭ সালের আইসিসি ট্রফিতে ম্যাচ দুটি হয়!
১৯৯৪ সালের আইসিসি ট্রফিতে প্রথমবার যখন বাংলাদেশ আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে খেলতে নামে সেই ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে ৭ উইকেটে হারায় বাংলাদেশ!
টসে জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ দল!
গোলাম নউশের, এনামুল হক মনি ও আতহার আলি খানের দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ১২০ রানেই গুটিয়ে যায় আর্জেন্টাইনরা!
আর্জেন্টিনার পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন ফরেস্টার!
বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন গোলাম নওশের!
জবাবে ব্যাট করতে নেমে আতহার আলি খানের ৪১ ও জাহাঙ্গির আলম বাদশাহর ৩৭ রানের উপর ভর করে ৭ উইকেটের সহজ জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ!
বোলিংয়ে ২৫ রান খরচায় ১ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাটিংয়ে ৪১ রান করে দলের জয়ে অবদান রাখার সুবাদে ম্যান অব দি ম্যাচ নির্বাচিত হন আতহার আলি খান!
দ্বিতীয়বার ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফিতে আবারো আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ!
টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আর্জেন্টিনা!
কিন্তু এনামুল হক মনি, নাইমুর রহমানদের বোলিং তোপে মাত্র ১৩৮ রানেই গুটিয়ে যায় আর্জেন্টিনা দল!
আর্জেন্টাইনদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন ইরিগুয়েন!
বাংলাদেশের হয়ে ১০ অভারে ৪ মেইডেনে মাত্র ১৮ রান খরচায় ৩ উইকেট নেন এনামুল হক মনি!
এছাড়া নাইমুর রহমান দূর্জয় ও নেন ৩ উইকেট!
জবাবে ব্যাট করতে নেমে আতহার আলি খানের ৪১ এবং ৭ চার , ২ ছক্কায় করা নাইমুর রহমান দূর্জয়ের ৩৭ বলে ৫৩ রানের ঝড়ো ইনিংসের উপর ভর করে ৫ উইকেটের জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ!
বোলিংয়ে ৩ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাট হাতে ৫৩ করার সুবাদে ম্যান অব দি ম্যাচ নির্বাচিত হন নাঈমুর রহমান দূর্জয়!
একটা আমাদের জাতশত্রু আর একটা আমাদের সম্মুখশত্রু!
জানি আজ অনেকের অন্তরেই পাকিস্তান আর ভারতের প্রতি ভালোবাসা জেগে উঠবে!
আজকে অনেকেরই মুখোশ খুলে যাবে!
জানি এই পোস্টেই অনেক পাদা-ভাদারা আক্রমণ করবে!
তারা খোড়া যুক্তি দেখানো শুরু করবে-
পাদাদের যুক্তি-
” পাকিস্তান আমাদের টেস্ট স্ট্যাটাস পেতে সাহায্য করেছে”
” খেলার সাথে রাজনীতি মেশাবেন না”
” পাকিস্তান মুসলিম দেশ তাই আমরা ওদের সাপোর্ট করি”
- আচ্ছা ভাই, আমরা ও তো মুসলিম!
৭১ এ যখন ওরা আমাদের দেশের ৩০ লক্ষ নিরীহ মানুষকে হত্যা করলো তখন কি ওদের একবার ও মনে হলোনা যে আমরা তাদের মুসলিম ভাই?
ওদের দেশে ভুল ইতিহাস পড়ানো হচ্ছে!
ওদের পেজগুলোতে দেখুন কীভাবে আমাদের অপমান করে, গালিগালাজ করে!
তারপরেও বেহায়ার মত ওদেরকেই সাপোর্ট করে কিছু লোক!
ভাদাদের যুক্তি-
” ওরা তো আমাদের মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতা করেছে, আর ওদের খেলা আমার ভালো লাগে তাই সাপোর্ট করি”
- আরে বেটা বলদ, ওরা আমাদের মুক্তিযুদ্ধে সাহায্য করেছে সেজন্য আমরা ওদের প্রতি কৃতজ্ঞ কিন্তু ওদেরকে আমরা সীমান্তে প্রতি বছর হাজারো বাংলাদেশীর লাশ ফেলার অধিকার দেইনি!
ওদেরকে আমরা আমাদের নদী কেড়ে নেওয়ার অধিকার দেইনি!
ওদের ক্রিকেটাররা যখন আমাদের অর্ডিনারী টিম বলে হাসি-ঠাট্টা করে তখন খুব ভালো লাগে??
কেন ভাই?
পাকিস্তান-ইন্ডিয়া কেন?
আপনার নিজের দেশ আছে কি করতে?
নিজের দেশকে ভালোবাসুন!
পাকিস্তান-ইন্ডিয়ার দালাল না হয়ে বাংলাদেশের দালাল হওয়ার চেষ্টা করুন!
” সাকিবের ক্যাপ্টেনসি আসলেই অসাধারণ ছিলো”
ওর মত এটাকিং ক্যাপ্টেন আমরা এখনো পায়নি!
হ্যা মুশফিক ও যথেষ্ঠ ভালো করছে এখন কিন্তু সাকিব যখন ক্যাপ্টেন ছিলো তখন ও ছাড়া পারফর্মার বলতে আর কেউ ছিলোনা!
হ্যা তামিম ছিলো কিন্তু একা তামিমের কন্ট্রিবিউশনে কাজটা হতনা!!
কিন্তু কি আর করবেন? মিডিয়া যেভাবে সাকিবের পিছে লেগেছিলো ক্যাপ্টেনসিটা তার কাছ থেকে না নেওয়া পর্যন্ত তারা ক্ষান্ত হয়নি!
আর আশরাফুলকে দেখে বেচারার জন্য দুঃখই লাগলো!
আর হয়ত দলের জয়ের আনন্দে শামিল হতে পারবেনা!:(
Mushfiqur said he was in disbelief when he first heard the news of the Anti-Corruption and Security Unit's (ACSU) investigation and Ashraful's confession.
Mushfiqur said, "I felt bad at first. I couldn't believe it. Afterwards, if you talk about the reality the investigation is still ongoing but when I heard it from him, I felt worse. Taking the BPL matches aside, when I heard about the international matches, I felt it was unusual and unbelievable."
He also said, "I hope he returns to cricket quickly,"" data-screen-name="Cricket Bangladesh" title="Cricket Bangladesh" data-user-id="262887047060873" class="post-screen-name user-profile-link js-action-profile-name">Cricket Bangladesh
Mushfiqur said he was in disbelief when he first heard the news of the Anti-Corruption and Security Unit’s (ACSU) investigation and Ashraful’s confession.
Mushfiqur said, “I felt bad at first. I couldn’t believe it. Afterwards, if you talk about the reality the investigation is still ongoing but when I heard it from him, I felt worse. Taking the BPL matches aside, when I heard about the international matches, I felt it was unusual and unbelievable.”
He also said, “I hope he returns to cricket quickly,”
একটা সুখবর!
আপনারা সবাই নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন যে গত শ্রীলংকা সিরিজ থেকে জিম্বাবুয়ে সিরিজ সবজায়গাতেই আমাদেরকে ভুগিয়েছে ইনজুরি!
একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটাররা ইনজুরির কবলে পড়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো মিস করেছেন!
তামিমের হাতের ইঅজুরি, নাসিরের ঘাড়ের ইনজুরি, আবুল হাসানের ইনজুরি!
এর মূলে ক্রিকেটারদের ইনজুরি লুকিয়ে খেলাটাকে ও অনেকেই দায়ী করেন!
এজন্য ট্রেনারদের ক্রিকেটারদের ফিটনেসের প্রতি নজর বাড়াতে হবে!
তাই বিসিবি এখন আর বিদেশী ট্রেনারদের উপর নির্ভর করছেনা!
দেশ থেকেই উন্নতমানের ট্রেনার বের করার উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি!
সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবেই গত পরশু ৩০ জন ট্রেনারকে নিয়ে হয়ে গেলো একদিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা!!
এটা বিসিবির একটা প্রশংসনীয় উদ্যোগ…নিঃসন্দেহে!
উনাদের কথা উপরে খেললে নাকি ও সেঞ্চুরী মারতে পারবে!!!!!!
আপনাদের গত ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের কথা মনে আছে?
সেই সিরিজের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচে খুব সম্ভবত নাসিরকে ৪ নম্বরে খেলিয়েছিলো টিম ম্যানেজমেন্ট!
ওই দুই ম্যাচে নাসিরের স্কোর ছিলো ২ ও ০!
এর চেয়ে ৬/৭ এ খেললেই বরং ও ভালো খেলে!
আর ৬/৭ নাম্বার পজিশনে মোটামুটি সেটেল ও!
তাছাড়া আরলি কয়েকটা উইকেট পড়ে গেলে ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব কিন্তু নাসিরের কাধেই পড়ে!
নাসিরই ভরসা!
একটা ভালো ফিনিশারের অভাবে ভুগছিলাম না আমরা???
নাসিরকে পেয়ে সেই অভাবটা অনেকটাই ঘুচেছে!!
নাসির ৬/৭ নাম্বারেই খেলুক!
এখানেই ও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে!
বেশিরভাগ ক্রিকেটারই আজ প্রথম দিন হাজির হয়েছিলেন মিরপুর ইনডোরে!!
উল্লেখ্য, ইংলিশ কাউন্টি খেলতে সাকিব আল হাসান বিদেশে থাকায় এবং বিয়ের জন্য তামিম ইকবাল আপাতত ফিটনেস ক্যাম্পে যোগ দিতে পারছেন না!


